1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৯ শ্রমিকের মৃত্যুর কারণ মাত্রাতিরিক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের উপস্থিতি আসিফ নজরুলের মন্তব্য: বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হতো না নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুল থেকে টিসি পাওয়া ২৫ শিক্ষার্থীও পেয়েছে জিপিএ-৫ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ত্রিশালের বালুরঘাটে ইজারাদারের কর্মীকে মারধরের অভিযোগ, ইউএনওকে বদলি বান্ডিলের ওপরে ১০০০, ভেতরে ১০০, ব্যাংকের ভল্টের ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা গায়েব লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা এবং দিন গোনা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬

দেশের ৫৪ জেলায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে দিনাজপুরের কাহারোলের বলরামপুর সাহাপাড়ায় ১২ কিলোমিটার খালের পুনঃখনন কাজের মাধ্যমে একযোগে দেশব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার মৃতপ্রায় ও ভরাট হয়ে যাওয়া খালগুলো পুনরায় খনন করা হবে, যাতে সেচব্যবস্থা উন্নত হয় এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমানো যায়। এছাড়া মাছ চাষ, হাঁস পালনসহ খালনির্ভর অর্থনীতি শক্তিশালী করার কথা ভাবছে সরকার।

খাল পুনরুদ্ধার হলে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধায় উৎপাদন বৃদ্ধি, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমে আসা এবং স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সেই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

উদ্বোধন শেষে খালপাড়েই আয়োজিত এক সমাবেশে যোগ দেন তারেক রহমান। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং দিনাজপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে স্থানীয় নেতাকর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভরাট হয়ে পড়া সাহাপাড়া খাল পুনঃখনন হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে। এতে স্থানীয় কৃষকরা উপকৃত হবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে আসা এখানকার বাসিন্দা রহিদুল ইসলাম বলেন, একসময় এই খালটি অনেক বড় ও প্রশস্ত ছিল এবং এলাকার মানুষের নানা কাজে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ভরাট হয়ে এখন খালটি প্রায় মৃতপ্রায় অবস্থায় পৌঁছেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খালটি পুনঃখনন করা হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ও কৃষিকাজে আবারও প্রাণ ফিরে আসবে।

কাজী কাটনা গ্রামের আমিনুল ইসলাম বলেন, ২০১৭ সালে হওয়া ভয়াবহ বন্যায় এই এলাকার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। খালটি যদি তখন খনন করা থাকত, তাহলে এত বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হতো না। খালের ওপারে বিস্তীর্ণ জমিতে ভুট্টা, ধান, সরিষা, কলা, পেঁয়াজ ও রসুনের আবাদ হয়। খালটি পুনঃখনন হলে এসব কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং কৃষকরাও ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।

একই এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, এলাকার কৃষি কার্যক্রম বর্তমানে অনেকটাই ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীল। টিউবওয়েলের মাধ্যমে পানি তুলে জমিতে সেচ দিতে হয়, এতে বিদ্যুতেরও ব্যাপক অপচয় হয়। আর যাদের টিউবওয়েল নেই, তারা চাপকল ব্যবহার করে পানি তুলতে বাধ্য হন, যা খুবই কষ্টসাধ্য। খালটি সচল হলে কৃষকদের এই দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে।

কাহারোল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব অলিউর রহমান বলেন, এইখানের শেষ মাথায় জগন্নাথ পুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন করতে আসেন। তারই প্রায় ৪৮ বছর পরে আবার এই এলাকায় খাল খননে এলেন তারই সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
৬

© ২০২৩ আঙ্গর টিভি