1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল রোববার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখা করবেন হেফাজত আমিরের সঙ্গে বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু ১/১১’র সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে: চিফ প্রসিকিউটর ‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’ মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যা করার ভেবেচিন্তে করবেন: আইনমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনের দাবি নাহিদের

কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার ২ ট্যাঙ্কার জাহাজ উড়িয়ে দিলো ইউক্রেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার দু’টি ট্যাংকার জাহাজ উড়িয়ে দিয়েছে ইউক্রেনের নৌবাহিনী। গতকাল নাভাল ড্রোন ব্যবহার করে ‘কাইরোস’ এবং ‘ভিরাট’ নামের জাহাজ দু’টি ধ্বংস করা হয়েছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, জ্বালানি তেল বিক্রির মাধ্যমে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য অর্থের সংস্থান করছে মস্কো। তাই দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ার জ্বালানি তেল এবং জ্বালানি ব্যবসার অবকাঠামো লক্ষ্য করে দীর্ঘদিন ধরে হামলা পরিচালনা করছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। এর অংশ হিসেবেই নাভাল ড্রোন দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে ‘কাইরোস’ এবং ‘ভিরাট’-কে।

ট্যাংকার জাহাজ দুটি অবশ্য খালি ছিল। তেল বোঝাই করে বিদেশযাত্রার জন্য কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী নভোঅরাসিয়াস্ক শহরের দিকে যাছিল কাইরোব এবং ভিরাট। যাত্রাপথেই নাভাল ড্রোন হামলার শিকার হয় জাহাজ দু’টি।

নাভাল ড্রোন হলো একপ্রকার বিস্ফোরকবাহী চালকবিহীন নৌযান। সাগরে যুদ্ধজাহাজে হামলার ক্ষেত্রে এই ধরনের ড্রোন ব্যবহার করা হয়।

ইউক্রেনের নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে এক লিখিত বার্তায় বলেছেন, “হামলার ভিডিও আমাদের কাছে আছে। সেটি পর্যালোচনা করে আমরা বুঝতে পেরেছি যে নাভাল ড্রোনের আঘাতে ট্যাংকার জাহাজ দু’টির গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং সেগুলো আর চলাচলের উপযোগী অবস্থায় নেই। এই হামলার মাধ্যমে রাশিয়ার তেল বাণিজ্য ও তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে আমরা বড় ধরনের আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছি।”

কাইরোস এবং ভিরাট— উভয়ের নাম যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আছে। হামলার প কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী অপর দেশ তুরস্কের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ড্রোন হামলার পর দুই ট্যাংকার জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করে সরিয়ে নিয়েছে তুর্কি কোস্টগার্ড বাহিনী।

এই হামলায় কৃষ্ণ সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পথে নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে হয়েছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে তুরস্কের পরিবহন মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার প্রতিবেশী কাজাখস্তানও এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত এ ইস্যুতে কোনো মন্তব্য কিংবা প্রতিক্রিয়া দেখায়নি মস্কো।

সূত্র : রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি