1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অপর ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩ মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল

কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় দু’জনের ফাঁসি, ১৩ জনের যাবজ্জীবন

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে কৃষক তাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় দু’জনের ফাঁসি ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া সাজাপ্রাপ্ত সকল আসামিকে এক লাখ টাকা করে আর্থিক দণ্ড দেয়া হয়েছে।

মামলার অপর আসামি সোহেল রানার বয়স কম হওয়ায় তার বিচার হবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে। কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আ. রহিম সোমবার সকালে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন, সাইকুল ইসলাম ও গোলাপ মিয়া।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. সাইদু, আ. হামিদ, আ. রহিম, বাদল মিয়া, মোস্তফা, মিজান, সুলতান, রায়হান, হাবিব, ফারুক, জলে বেগম, আনিসা বেগম ও হেনা বেগম।

আসামিরা সবাই একে অপরের আত্মীয়। তাদের মধ্যে মিজান ও সুলতান পলাতক রয়েছেন। বাকিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আ: ছাত্তারের ছেলে কৃষক তাজুল ইসলামের সাথে একই এলাকার সাইকুল ইসলামের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এ বিরোধের জের ধরে ২০১১ সালের পহেলা জানুয়ারি দুপুরে বাড়ির পাশে জমিতে হালচাষ করার সময় তাজুল ইসলামের ওপর হামলা করেন আসামিরা। এ সময় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাত ও পিটুনিতে ঘটনাস্থলে মারা যান কৃষক তাজুল ইসলাম। আহত হন আরও কয়েকজন।

এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মালা বেগম বাদী হয়ে একই দিন ১৬ জনকে আসামি করে কটিয়াদী থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৫ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কটিয়াদী থানার ওসি মো. ফরিদ আহমেদ। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালতে রায় ঘোষণা করা হয়।

এদিকে রায়ে খুশি মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। তবে রায়ে অসন্তোষ জানিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছে আসামিপক্ষ।

মামলার বাদী মালা বেগম জানান, আমার বাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ রায়ে আমরা খুশি। দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি