1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘গুলি করি, মরে একটা, একটাই যায়’ বলা সেই ইকবালের চাকরি যাচ্ছে ‘চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে দৌড়াচ্ছে, কানে হাত দিয়ে দেখে না’ মোবাইল চুরির অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শতভাগ ফেলের দায় সিসি ক্যামেরার ওপর চাপালেন শিক্ষক শেরপুরে শিক্ষকদের কক্ষে রেখে তালা ঝুলিয়ে দেয় ফেল করা শিক্ষার্থীরা ঈশ্বরগঞ্জে মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার সাকিব ‘ফালতু’ কথা বলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চান ১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেননি ৩ শিক্ষার্থীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে বসছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার-সিইসি

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই। সোমবার (২৯ জুন) সকালে নিউমোনিয়াজনিত জটিলতা নিয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

মৃত্যুকালে এই গুণী শিল্পীর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তার মৃত্যুর খবরে সহকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফুসফুসে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ নিয়ে গত ১৪ জুন থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার। সে সময় তার রক্তচাপ ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে দ্রুত আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় দুই সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মুস্তাফা মনোয়ার ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তার বাবা প্রয়াত কবি গোলাম মোস্তফা এবং মা জমিলা খাতুন।

নারায়ণগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাসের পর তিনি কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজে ভর্তি হন। পরবর্তীতে সেখান থেকে সরে এসে কলকাতা চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং ১৯৫৯ সালে ফাইন আর্টসে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন।

ভারত থেকে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফেরার পর শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পরামর্শে তিনি আর্ট কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন।

শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

চিত্রকলার পাশাপাশি টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ, শিশুতোষ বিনোদন এবং সাংস্কৃতিক বিকাশে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। এছাড়া দেশ-বিদেশের নানা সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি