1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী আমরা আজ নব্য স্বৈরাচারের গন্ধ পাচ্ছি : শহীদ ফাইয়াজের বাবা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বৃষ্টিও মারা গেছেন সিলেট-ময়মনসিংহে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাস ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সমন্বয় করা হয়েছে : পরিবহনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার আওয়ামী লীগের সময়ের সার ডিলার বাতিল

উঁকি দিয়ে নারীদের গোসল দেখা-ভিডিও করা তার নেশা!

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১
গোসলখানাটি দেখাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য

বাড়ির পাশে এক বাড়ির নারীদের গোসলের দৃশ্য দেখা এবং ভিডিও ধারণ করা তার নেশা। প্রতিনিয়ত এ কাণ্ড করলেও অভিযুক্ত প্রভাবশালী হওয়ায় ও লোকলজ্জার ভয়ে ভুক্তভোগীরা মুখ খোলেননি। সর্বশেষ গত তিন দিন আগে এ ঘটনার বিচার চেয়ে থানায় অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী পরিবার। বিচার চাওয়ায় দুই নারীকে পিটিয়ে জখম করে অভিযুক্তের পরিবারের লোকজন। পরে আজ মঙ্গলবার এক সালিসে অভিযুক্তকে হাজির করে কান ধরে উঠবোস এবং নারীর পরিবারদের সদস্যদের পায়ে ধরিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ধরনের ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজবাগ এলাকায়।

জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরে মগটুলা গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩২) দুপুরের পরে খোঁজ নেন, কোন বাড়িতে গোসলখানায় গোসল করছে নারীরা। সেখানেই ওত পেতে বসে থেকে গোসলের দৃশ্য দেখা ছাড়াও নিজের মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। পরে এগুলো বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এসব ঘটনা প্রচার হলেও ভুক্তভোগীরা লোকলজ্জার ভয়ে চেপে যায়।

গত শনিবার দুপুরে শফিকুল পার্শ্ববর্তী বাড়ির পাশে একটি গোসলখানার পেছনে বসে উঁকি দেওয়ার সময় বাড়ির দুই যুবক তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে ঘটনাটি এলাকার লোকজনকে জানানোর কারণে শফিকুলের বাবা মফিজ উদ্দিন ভুক্তভোগী পরিবারের এক পুরুষ সদস্যকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন। খবর পেয়ে বাড়ি থেকে দুই নারী এগিয়ে এলে তাদেরকেও পিটিয়ে জখম করেন মফিজ উদ্দিন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মারধরের শিকার পুরুষ জানান, মারধরের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশ এসে তদন্ত করে শফিকুলকে না পেয়ে তার বাবা মফিজ উদ্দিনকে আটক করে। এ সময় স্থানীয় সালিসকারীরা মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে মফিজকে পুলিশের কাছ থেকে রেখে দেন। আজ মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা নিয়ে সালিসের আয়োজন করে। স্থানীয় বৈরাটি মাদরাসায় আয়োজিত সালিসে উপস্থিত ছিলেন মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ এলাকার চিহ্নিত সালিসকারীরা।

সালিসে থাকা লোকজনের কাছ থেকে জানা যায়, সালিসে অভিযুক্ত ছাড়া দুই নারীর পরিবারের লোকজনকে উপস্থিত রাখা হয়। এ সময় অভিযুক্ত শফিকুল নিজের অপরাধ স্বীকার করেন এবং আর করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন। পরে সালিসের সিদ্ধান্তে তাকে কান ধরে উঠবোস ও দুই নারীর পরিবারের সদস্যদের পায়ে ধরে ক্ষমা চাইয়ে মুক্তি দেওয়া হয়।

সালিসে থাকা স্থানীয় মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘কী করবাম ভাই, লোকজন ধরছে তাই সালিসে গেছি। এটা তো আসলেই বড় অপরাধ। ক্ষমার অযোগ্য।’

লিখিত অভিযোগটির তদন্তকারী ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আমিরুল ইসলাম জানান, তদন্তে তিনি ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। পরে বাদীকে থানায় আসতে বলেছিলেন। না আসায় মামলা হয়নি।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের মিয়া জানান, ঘটনাটির তদন্ত করা হচ্ছে। আমি নিজেই ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। এটা ক্ষমার ব্যাপার না। সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি