1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অপর ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩ মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল রোববার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখা করবেন হেফাজত আমিরের সঙ্গে বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু ১/১১’র সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে: চিফ প্রসিকিউটর ‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’

আটা-চিনি-কাপড়ের রঙ দিয়ে তৈরি হচ্ছে খেজুরের গুড়!

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫

রাজশাহীর বাঘায় একটি কারখানায় কোনো রস ছাড়াই তৈরি হচ্ছে আখ ও খেজুরের গুড়। আটা, চিনি ও কাপড়ের রঙ দিয়েই তৈরি হচ্ছে এসব গুড়।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার আড়ানী পৌরসভার শাহাপুর এলাকায় অভিযান চালায় র‍‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍‍্যাব)। এ সময় ওই কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ চিনি ও ভেজাল গুড় জব্দ করা হয়।

একটি কারখানার মালিক লাকি ও সান্টুরকে ৫০ করে ১ লাখ টাকা জরিমানা করে রাজশাহী ভোক্তা অধিদপ্তরের উপপরিচাল ইব্রাহিম হোসেন। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে আরও কারখানায় জরিমানা করা হবে। একইসঙ্গে এইগুলো ধ্বংস করা হবে।

সরেজমিনে ওই গ্রামে গিয়ে গুড় তৈরির তিনটি কারখানা দেখা যায়। কারখানাগুলোতে আখ বা খেজুরের রসের কোনো বালাই নেই। তবুও তৈরি হচ্ছে গুড়। কারখানার ভেতর দেখা গেছে কড়াইয়ে গুড় তৈরি হচ্ছে। তার পাশেই বিভিন্ন খাঁচের ওপর ফেলে দেওয়া হচ্ছে আকৃতি। তৈরি হওয়া গুড়গুলো পরবর্তীতে স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে পাঠানো হয়।

এই এলাকায় গুড় তৈরি করেন নানটু মিয়া। র‍‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান তিনি। তার স্ত্রী মোসা. লাকি অকপটে স্বীকার করে বলেন, গুড়গুলো তৈরিতে কোনো ধরনের রসের ব্যবহার নেই। শুধু চিনি দিয়ে আখ ও খেজুরের গুড় তৈরি করা হয়। এরমধ্যে মেশানো হয় কাপড়ে দেওয়া রঙ, আটা, হাইড্রোজ, গ্যাস পাউডার, চুন ও চিনি। এরপরে এগুলো রাজশাহী, নাটোর, পাবনার বিভিন্ন মেকামে পাঠানো হয়। সেগুলোতে বিভিন্ন দামে কেনাবেচা হয়। একই এলাকার শান্টুকে ৫০ হাজার টাকা জরিমান করা হয়।

র‍‍্যাব-৫ এর উপঅধিনায়ক মেজর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এখানে যে গুড় রয়েছে, এতে আখ বা খেজুরের রসের কোনো উপস্থিতি নাই। সবগুলো চিনি ও কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি। কারখানাগুলোতে প্রায় একটনের মতো গুড় রয়েছে। এগুলো ধ্বংস করা হবে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মুখপত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, রাসায়নিক দ্রব্যাদি কোনোভাবে স্বাস্থ্যের জন্য না। এটা স্বাস্থ্যের ক্ষতিকারক। এরফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হবে, হতে পাড়ে ক্যান্সার। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি ক্ষতি হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি