1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৯ শ্রমিকের মৃত্যুর কারণ মাত্রাতিরিক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের উপস্থিতি আসিফ নজরুলের মন্তব্য: বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হতো না নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুল থেকে টিসি পাওয়া ২৫ শিক্ষার্থীও পেয়েছে জিপিএ-৫ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ থানায় ছাদের পলেস্তারা ধসে পুলিশ কর্মকর্তা আহত শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ত্রিশালের বালুরঘাটে ইজারাদারের কর্মীকে মারধরের অভিযোগ, ইউএনওকে বদলি বান্ডিলের ওপরে ১০০০, ভেতরে ১০০, ব্যাংকের ভল্টের ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা গায়েব লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা এবং দিন গোনা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ে রান্নাঘরে চোখ এনবিআরের!

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

বাজারে নিত্যপণ্যের দামে যখন সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস, তখন নতুন করে দুঃসংবাদ দিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আগামী বাজেটে রাজস্ব বাড়াতে এবার খোদ সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে নজর দিয়েছে সংস্থাটি। রান্নার প্রধান উপকরণ গুঁড়ো মসলা থেকে শুরু করে রাইড শেয়ারিং ও আইটি সেবা- সব ক্ষেত্রেই ভ্যাটের হার বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে গুঁড়ো মরিচ, হলুদ, আদা ও জিরার মতো মসলা উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোতে এটি এক লাফে ১৫ শতাংশ করার চিন্তা করছে সংস্থাটি। এর বাইরে রাইড শেয়ারিং, যাতায়াত ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার ওপরও একই হারে ভ্যাট বসানোর ছক আঁকছে এনবিআর। মূলত এসব খাত থেকে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, এতদিন যেসব খাতে কোনো ভ্যাট ছিল না (ভ্যাট অব্যাহতি), সেখান থেকেও সুবিধা তুলে নেওয়ার চিন্তা চলছে। এর ফলে চিড়িয়াখানা, জাদুঘর ও বোটানিক্যাল গার্ডেনে ঢোকার টিকিটের দাম বাড়তে পারে। এমনকি কম্পিউটার মেরামত ও পরিবেশ সুরক্ষা সেবার ওপর থেকেও ভ্যাট মওকুফ সুবিধা প্রত্যাহার হতে পারে।

বর্তমানে গুঁড়ো মরিচ, হলুদ, আদা ও জিরার মতো মসলা উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোতে এটি এক লাফে ১৫ শতাংশ করার চিন্তা করছে এনবিআর।

এনবিআরের যুক্তি, সব খাতে ভ্যাটের হার সমান করে কর ব্যবস্থাকে আধুনিক ও বৈষম্যহীন করতেই এই উদ্যোগ।

তবে এই পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, রাজস্ব বাড়ানো জরুরি, কিন্তু নিত্যপণ্যে ভ্যাট বাড়ানো হলে তার ঘানি টানতে হবে সাধারণ মানুষকে। এতে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে এবং গরিব মানুষের ওপর বাড়তি বোঝা তৈরি হবে। এনবিআরের উচিত পরোক্ষ কর না বাড়িয়ে ধনীদের ওপর প্রত্যক্ষ কর বা আয়কর আদায়ের দিকে নজর দেওয়া।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, আয়কর ব্যবস্থাকে শক্তিশালী না করে কেবল ভ্যাটের আওতা বাড়ালে সাধারণ ভোক্তার ওপর অসম চাপ তৈরি হয়। এতে সমাজে বৈষম্য আরও বাড়তে পারে।

এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, কর ছাড় কমিয়ে ভ্যাট কাঠামো ঢেলে সাজানোই তাদের মূল লক্ষ্য।

প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হলে আগামী জুলাই থেকেই কার্যকর হতে পারে। আর তেমনটি হলে বাজারে পণ্যমূল্য ও যাতায়াত খরচ আরও বাড়বে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের পকেটে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ আঙ্গর টিভি