1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অপর ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩ মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল

গৌরীপুরে মুদি দোকানির এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৯ লাখ টাকা!

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে হেলাল উদ্দিন নামের এক মুদি দোকানির এক মাসে ৯ লাখ ২৪ হাজার ৩২৭ টাকার বিদ্যুৎ বিল এসেছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

হেলালের মতো আর অনেকেরই ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল করেছে গৌরীপুর বিদ্যুৎ বিভাগ। এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

উপজেলার কোনাপাড়া গ্রামের আলাল উদ্দিনের ছেলে মো. হেলাল উদ্দিন জানান, পেশায় তিনি একজন মুদি দোকানি। তার ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৯ লাখ ২৪ হাজার ৩২৭ টাকা।

তিনি আরও জানান, অক্টোবর মাসেও বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৮ হাজার ১১৪টাকা, ইউনিট ছিল ১২ হাজার ৯৬০। এক মাস পর নভেম্বর মাসে হঠাৎ করে মিটারে রিডিং ৯৩ হাজার ৮১৪ ইউনিট উঠে যায়।

ভুক্তভোগী হেলাল বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগে আবেদন করেও আমি প্রতিকার পাচ্ছি না। মিটারের এ রিডিংয়ের বিপরীতে বিদ্যুৎ বিভাগ ৯ হাজার ২৪ হাজার ৩২৭ টাকার বিদ্যুৎ বিল করে দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক চেয়ারম্যান মো. হযরত আলী জানান, হেলালের সাড়ে ৭ শতাংশের বাড়িভিটে আর কদমতলী বাজারের তিনটি দোকান বিক্রি করে দিলেও এ বিল দেওয়ার সামর্থ্য নেই। অভাবের কারণে হেলালের এক ছেলের লেখাপড়া বন্ধ, সে এখন রাজমিস্ত্রির সহযোগী হিসাবে কাজ করছে। এক মেয়ে স্থানীয় ইসলামাবাদ সিনিয়র মাদরাসায় পড়ে আর ছোট ছেলে রিফাত মিয়া কোনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের জন্য অফিসে দৌড়ঝাঁপ করতে গিয়ে তিন বেলার খাবারও জুটছে না হেলালের।

হেলালের স্ত্রী নারগিস আক্তার জানান, বিদ্যুৎ বিলের চিন্তায় তার স্বামী রাতে ঘুমাতেও পারছেন না। দুশ্চিন্তায় শারীরিক সমস্যাও দেখা দিয়েছে।

একই রকম অভিযোগ পাওয়া যায় পৌর শহরের গোলকপুর গ্রামে। এ গ্রামের মুদি দোকানি শিরিনা আক্তারেরও এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৭৫ হাজার টাকা এসেছে।

তিনি জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের এ অত্যাচার থেকে বাঁচতে বিভিন্ন স্থানে বিচার প্রার্থী হয়েছি, ঘুরেছি, কেউ সহযোগিতা করেনি। এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছি।

‘ভুতুড়ে’ বিল প্রসঙ্গে আবাসিক প্রকৌশলী বিদ্যুৎ নিরঞ্জন কুন্ড বলেন, গ্রাহকের আবেদনের প্রেক্ষিতে মিটার পরীক্ষা করা হয়েছে। মিটার সঠিক থাকায় বিল করে দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি